সেমিকন্ডাক্টর হলো একধরনের পোষ্য পদার্থ যা এলেকট্রন চলতে সাহায্য করে, এবং তার বৈদ্যুতিন গুনধর্মের জন্য দুর্বল হয়ে থাকে। এটি পোষ্যতার মধ্যে এলেকট্রন চলতে পারে এবং এক কৌণিক অবস্থা সংরক্ষণ করতে পারে, যা তার বৈদ্যুতিন গুণধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।
সেমিকন্ডাক্টর একে একে তার বৈশিষ্ট্যমূলক গুণধর্মের উপর ভিত্তি করে অনেক প্রকারে বিভক্ত হয়ে থাকে। সেমিকন্ডাক্টরগুলির মধ্যে প্রমুখ তিনটি ধরন হলো - পোষ্যতা, নেগেটিভতা, এবং অনুযায়ী সেমিকন্ডাক্টর।
১. পোষ্যতা (P-Type) সেমিকন্ডাক্টর:
এই ধরণের সেমিকন্ডাক্টরে পোষ্যতা অধিক হয়ে থাকে এবং তার বৈদ্যুতিন প্রবাহ পোষ্যতার দিকে হয়ে থাকে। পোষ্যতা বৃদ্ধি হয় যখন সেমিকন্ডাক্টরকে আবেগ দেওয়া হয়ে এবং এটি বিশেষভাবে তার বৈদ্যুতিন গুণধর্মে আকার করে। এই সেমিকন্ডাক্টরগুলি সাধারিতভাবে বৃদ্ধি হয়ে থাকে সাধারিত পোষ্যতার উপর নির্ভর করে।
২. নেগেটিভতা (N-Type) সেমিকন্ডাক্টর:
এই ধরণের সেমিকন্ডাক্টরে নেগেটিভতা বৃদ্ধি হয়ে থাকে এবং তার বৈদ্যুতিন প্রবাহ নেগেটিভতার দিকে হয়ে থাকে। নেগেটিভতা বৃদ্ধি হয় যখন সেমিকন্ডাক্টরে অতিরিক্ত ইলেকট্রন এনে যায়। নেগেটিভতা বৃদ্ধি হয় সাধারিত নেগেটিভতার উপর নির্ভর করে।
৩. অনুযায়ী সেমিকন্ডাক্টর (Intrinsic Semiconductor):
এই ধরণের সেমিকন্ডাক্টর নেইগভ বা পোষ্যতার প্রধান কারণে প্রতিস্থিতি হয়। এটির সাধারিত বৈদ্যুতিন গুণধর্ম অনেক কম হয়ে থাকে, এবং ইলেকট্রনের এবং হোলের সংখ্যা সমান হয়ে থাকে।
সেমিকন্ডাক্টর কাজে ব্যবহৃত হয়
সেমিকন্ডাক্টর একধরনের পোষ্য পদার্থ যা এলেকট্রন চলতে সাহায্য করে এবং তার বৈদ্যুতিন গুনধর্মের জন্য দুর্বল হয়ে থাকে। সেমিকন্ডাক্টর একই সময়ে পোষ্যতার এবং নেগেটিভতার ধারণা দেয় এবং তার গুণধর্ম অনুযায়ী তিনটি ধরণে বিভক্ত হতে পারে: পোষ্যতা (P-Type), নেগেটিভতা (N-Type), এবং অনুযায়ী সেমিকন্ডাক্টর (Intrinsic Semiconductor)।
সেমিকন্ডাক্টর বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়, যা প্রধানভাবে বিদ্যুত পরিস্থিতি, বৈদ্যুতিন পরিষ্কারতা, সংজ্ঞান এবং ইলেকট্রনিক উপাদানে ব্যবহৃত হতে পারে। কিছু উদাহরণ হলো:
ট্রানজিস্টর: এটি একধরনের সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস যা সাধারিতভাবে বৃদ্ধি এবং কমু প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়। ট্রানজিস্টর এলেকট্রিক্যাল সিগন্যাল এবং বৈদ্যুতিন প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি পোষ্যতা এবং নেগেটিভতার সেমিকন্ডাক্টরের বৈদ্যুতিন গুণধর্ম ব্যবহার করে।
ডায়োড: ডায়োড হলো একধরনের সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস যা একমুখী বৈদ্যুতিন প্রবাহ বা সঞ্চালন করতে ব্যবহৃত হয়। এটি পোষ্যতা এবং নেগেটিভতার সেমিকন্ডাক্টরের বৈদ্যুতিন গুণধর্ম ব্যবহার করে এবং পোষ্যতার দিকে প্রবাহ হয়।
ফোটোডায়োড: এটি আলোকের তীর্থ হিসেবে কাজ করে এবং আলোর ইন্টেনসিটি অনুভব করে এবং এটি আলোর ইন্টেনসিটির পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে একধরনের বৈদ্যুতিন প্রবাহ উৎপন্ন করে।
লেজার ডায়োড: এটি হলো একধরনের সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইস যা লেজার রশ্মি উৎপন্ন করতে ব্যবহৃত হয়।

0 Comments